আলমগীর আলম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আলমগীর আলম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৭

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফর: যা থাকছে প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্মারক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় দু’দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই নিয়ে এখন সর্বত্র চলছে আলোচনা। ভারতের পক্ষ থেকে প্রতিরক্ষা চুক্তি করার বেশি আগ্রহ দেখালেও বাংলাদেশ এমওইউ সইয়ে সম্মতি দিয়েছে। 
পাঁচ বছর মেয়াদি এই এমওইউ খসড়ায় প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতার পাশাপাশি এই শিল্পের বিকাশে যৌথ উদ্যোগ, মহাকাশ প্রযুক্তি, কারিগরি সহায়তা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সামুদ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে এক দেশ অন্য দেশকে সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সীমারেখায় সমন্বিত টহলসহ যৌথ ও সমন্বিত অনুশীলন করবে দু’দেশ। এছাড়া উভয়পক্ষ আন্তর্জাতিক আইন, নিজ নিজ জাতীয় আইন, শর্তগুলো, নীতি এবং প্রথা মেনে নিজস্ব স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে সক্রিয়ভাবে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে। 
আগামী ৭-১০ এপ্রিল চার দিনের সফরে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সফরে কোনো চুক্তি সই না হলেও প্রায় ৩৯টি সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়ে কাজ করছে দু’দেশ। বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার রূপরেখার সমঝোতা স্মারকের খসড়ার কপি সকালের খবরের কাছে রয়েছে। 

তা থেকে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো তুলে ধরা হল : 

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা : এমওইউর অনুচ্ছেদ-২-এ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে সামরিক সদস্যদের সফর বিনিময়ের কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ, তথ্যবিনিময়, কর্মশালা আয়োজন, প্রশিক্ষণ, আলোচনা সভা, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে অনুষ্ঠান এবং পারস্পরিক সুবিধাজনক শিক্ষা সফরের কথা বলা হয়েছে। এসব সফরের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সংশ্লিষ্ট অসামরিক ব্যক্তিরাও সফরের জন্য মনোনীত হতে পারবেন। প্রকৃত যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারী/নকশাকারী প্রতিষ্ঠানের যথাযথ অনুমতিসাপেক্ষে প্রয়োজনে সামরিক সরঞ্জামাদি রক্ষণাবেক্ষণে পরস্পর সহযোগিতা প্রদান করবে। সামরিক সরঞ্জাম রক্ষণাবেক্ষণে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দুর্যোগ ও ত্রাণবিষয়ক সহযোগিতা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে দু’দেশ। প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কর্মকাণ্ড নিয়ে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে বলা হয়েছে-প্রশিক্ষণ, মতামত, সক্ষমতা বিনিময়, একে অন্যের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণের সুযোগ গ্রহণ, প্রশিক্ষক বিনিময়, আলোচনা সভা, কর্মশালা এবং যৌথ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে। দ্বিপক্ষীয় মতামতের ভিত্তিতে নিয়মিত ক্রীড়া এবং দুঃসাহসিক অভিযান কার্যক্রম আয়োজনের পাশাপাশি চিকিত্সা সহযোগিতার বিষয়টিও রাখা হয়েছে খসড়ায়। প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আওতায় উভয় পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে জাহাজ ও উড়োজাহাজের সফর বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সীমারেখায় সমন্বিত টহলসহ যৌথ ও সমন্বিত অনুশীলন করবে। 

প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা : উভয়পক্ষ জাতীয় আইন অনুযায়ী যৌথ উদ্যোগ, মহাকাশ প্রযুক্তি সহযোগিতা, কারিগরি সহায়তা, অভিজ্ঞতা বিনিময়, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং সামুদ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা করবে। প্রতিরক্ষা শিল্পের সহযোগিতাগুলো প্রতিরক্ষা শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠান এবং এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে তাদের বাণিজ্যিক কার্যকারিতা, প্রতিযোগিতামূলক দর, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং পারস্পরিক সুযোগ-সুবিধার ভিত্তিতে সংঘটিত হবে। এক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো পক্ষের সঙ্গে কোনো একটি পক্ষ তার নিজস্ব প্রতিরক্ষা কোম্পানির মধ্যে স্বাক্ষরিত কোনো চুক্তিসীমা লঙ্ঘন করবে না। উভয়পক্ষ সরকারি নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা বিবেচনায় রেখে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পে উন্নয়নে সহযোগিতার ধরন এবং প্রতিরক্ষা পণ্য উত্পাদনে সহযোগিতা করবে। এই সহযোগিতা উভয়পক্ষ নিজস্ব জাতীয় প্রয়োজনীয়তা এবং পারস্পরিক সম্মত শর্তাবলি অনুযায়ী করবে। 

প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা সহযোগিতা : বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার রূপরেখার সমঝোতা স্মারকের খসড়া অনুযায়ী উভয়পক্ষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিষয়ক সহযোগিতা করবে। এক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশলীদের সফর বিনিময় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে তথ্যবিনিময় করবে। সহযোগিতার ব্যবস্থাপনা : প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এমওইউর ৬নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, এই সমঝোতা স্মারকটি পর্যবেক্ষণ, পরিচালনা এবং বাস্তবায়নে প্রতিরক্ষা সচিব এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার পর্যায়ে বার্ষিক সংলাপ হবে। এই আলোচনা প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ এবং ভারতে অনুষ্ঠিত হবে। 

তথ্য নিরাপত্তা : খসড়ার ৭নং অনুচ্ছেদে বিনিময়কৃত তথ্যের নিরাপত্তার কথা বলা হয়েছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আওতায় যেসব গোপন তথ্য বিনিময় হবে, সেগুলো যাতে পরস্পরের বিরুদ্ধে ব্যবহার না হয়, তা দু’পক্ষ নিশ্চিত করবে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রক্রিয়ার সময় দু’পক্ষ গোপনীয়তা মেনে চলবে। তৃতীয় কোনো পক্ষের স্বার্থ লঙ্ঘনের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। কোনো পক্ষ নিজ সরকার কর্তৃক নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রদানকৃত সদস্য ছাড়া অন্য কারও কাছে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আওতায় প্রাপ্ত গোপনীয় তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। এই অনুচ্ছেদের শর্তগুলো সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ সম্পন্ন হওয়ার পরও কার্যকর থাকবে। 

সংশোধন ও সম্পূরক : উভয়পক্ষের লিখিত সম্মতিতে এই সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ বা আংশিক সংশোধন করা যাবে। এই সংশোধন বা সম্পূরক উভয়পক্ষের সম্মতির দিন থেকে প্রযোজ্য হবে। এক্ষেত্রে সংশোধন বা সম্পূরক কার্যকর হওয়ার দিন বা আগের সময়ে এই সমঝোতা স্মারককে কোনো পক্ষ প্রভাবিত করবে না। 

বিরোধ নিষ্পত্তি : এই সমঝোতা স্মারকের কোনো বিষয়ে ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হলে উভয়পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করা হবে। 

বৈধতা মেয়াদ এবং পরিসমাপ্তি : সমঝোতা স্মারকের ১১নং অনুচ্ছেদে মেয়াদ ও পরিসমাপ্তির কথা বলা হয়েছে। ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার রূপরেখার সমঝোতা স্মারকটি সইয়ের পর থেকে মেয়াদপূর্তির পর দিন নবায়ন হবে। যদি এটিতে কোনো পরিবর্তন আনতে হয়, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাস আগে যেকোনো পক্ষকে নোটিস দিয়ে তা জানাতে হবে। সমঝোতা স্মারকের ৫ বছরের মধ্যবর্তী সময়ে কোনো পক্ষ পরিসমাপ্তি করতে চাইলে অন্যপক্ষকে ৬ মাস আগে কূটনৈতিক মাধ্যমে লিখিত নোটিস দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ, ২০১২

ভারতে কংগ্রেসের পরজয়ের সাথে বাংলাদেশের স্বার্থ জড়িত।


ভারতে  কংগ্রেসের পরজয়ের সাথে বাংলাদেশের স্বার্থ জড়িত। কংগ্রেস ধারণা করেছিল তারা তাদের কর্মসূচী দিয়ে ভারতের জনগণের আস্থা অজর্ন করতে সক্ষম হয়েছে, সেই জন্য তাঁদের আশা ছিল আকাশচুম্বি। কিন্তু বাস্তব অবস্থা ভিন্ন, যার দরুন চরম একটি হোঁচট খেলো কংগ্রেস। এখন মূল্যায়ন করতে হবে কেন কংগ্রেস হারলো, হারার সাথে তাঁদের নতুন কৌশল কি হতে পারে। কংগ্রেসের পরাজয়ে কিভাবে বাংলাদেশের স্বার্থ জড়িত তার একটি ধারা উন্মচন হবে।
কংগ্রেসের রাজনীতিতে আধিপত্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ, বিকৃত ধর্মনিরপেক্ষতা এবং গোড়া পন্থা বর্তমান। যার দরুন ভারতের জনগনের একটি বহুল আকাংখার সাথে তাদেঁর খাপ খাইয়ে নিয়ে নানান মত ও পথকে একত্র করে একধরনের সমঝোতা মাধ্যমে তাদেঁর প্রভুদের রক্ষা করার দায়িত্বে আছে। কিন্তু তাদেঁর এই পরাজয়ে একটি বিষয় সামনে এসেছে তা হলো আঞ্চলিক দলগুলোর ভিক্তি মজবুতের কারণে ‘কেন্দ্র’ একটি বার্তা পেয়েছে। বার্তাটি হলো বৃহৃত ভারতের জোট নরবড়ে, সেই সাথে আঞ্চলিক দলগুলোর অবস্থা সৃদৃঢ হওয়ায় আগামীতে কেন্দ্রকে আঞ্চলিক স্বার্থগুলোর প্রতি অতি মনোযোগি না হলে তাঁেদর বির্প্যয় খুব নিকটে।
আর এটা জেনেই কেন্দ্র পার্শ্ববর্তী দেশে তাঁেদর এজেন্ডাগুলোকে নিকটে নিয়ে আসা ছাড়া তাঁেদর আর কোন রাস্তা খোলা নেই, কংগ্রেসের এজেন্ডাগুলো বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধীতো বটেই যার ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন পড়েনা। বাংলাদেশের মানুষ বিগত বছরগুলোতে টের পাচ্ছে হাঁেড় হাঁেড়, নদী, সাগর, সীমান্ত আর বাণিজ্য সবই আছে তাঁেদর এজেন্ডার মধ্যে।
এখন বন্ধু প্রতিম সরকার (উভয়দেশের) বর্তমান, আমাদের সরকার সেটা আওয়ামী বা জাতীয়তাবাদী হউক তাদেঁর (ভারতের) কেন্দ্রের এজেন্ডা বাস্তাবয়নে এক ধাপ এগিয়ে। তাই আমাদের অপেক্ষা করতে হবে নানান নামে নানান অপকৌশলে আমাদের স্বার্থ বিকিয়ে ভারতের স্বার্থে কাজ করার দৌড় ঝাপ দেখা।

দেশপ্রেমিক জনগন কি সেটা দেখতে রাজি ?

মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১২

একটি টাকাও দেয়নি ভারত : চুক্তি এখন গলার কাঁটা


ভারতের সঙ্গে ১০০ কোটি ডলার ঋণের প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পর বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, তার দিল্লি সফরের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো এই ঋণ পাওয়া। তারপর আবেগে আনন্দে গদগদ হয়ে, সরকারের নানা স্তরের নীতিনির্ধারক ও হর্তাকর্তারা সামাল-বেসামাল নানামাত্রিক উচ্চারণ করে বন্ধুত্বের মহিমা বর্ণনা করেছেন। আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার মতো এই নব কর্তারা হয়তো এখনও অনুধাবন করেননি ভারতের ‘বন্ধুত্ব’ কী জিনিস। অথবা জানলেও তারা ভারত নিয়ন্ত্রিত পাপেট বা রোবটের মতো ‘যেমনি নাচাও তেমনই নেচেছিলেন।’ এরপর দেখতে দেখতে কেটে গেছে দু’বছর। আমাদের সরকারের ফোলানো প্রত্যাশার বেলুন এখন ফুলে ফুলে ক্লান্ত হয়ে ফুটো হয়ে পড়ে আছে তাদেরই টেবিলে। কিন্তু ১০০ কোটি ডলার তো দূরের কথা, একটি ডলারও ভারত আজ পর্যন্ত ছাড় দেয়নি। যদিও অত্যন্ত অপমানজনক ও অযৌক্তিক শর্তে এই ঋণ চুক্তির মুলা নাকের ওপর ঝুলিয়ে ভারত বাংলাদেশের কাছ থেকে আদায় করে নিয়েছে ট্রানজিট, করিডোর, ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা, বন্দর ব্যবহার, ট্রানজিট কার্যকর করার জন্য অন্তর্গত নৌবন্দরকে পোর্ট অব কল ঘোষণা, যৌথ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের সম্মতিসহ নানা কিছু। এদিকে ভারতের এই রকম দ্বিমুখী আচরণের ফলে অনেক প্রকল্প যেমন বন্ধ করে নতুন প্রকল্প তৈরি করতে হবে, তেমনি অনেক ব্যয়ও বেড়ে যাবে। নষ্ট হবে আরও অনেক মূল্যবান সময়।
২০১০ সালের ১১ জানুয়ারি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হাসিনা-মনমোহন বৈঠকে ৫০ দফা যৌথ ঘোষণা চূড়ান্ত হয়। এর আলোকে বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলারের ঋণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় ভারত। ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির উপস্থিতিতে এক্সিম ব্যাংক নামের একটি ভারতীয় ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ। চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই ভারত তাদের চরিত্র অনুযায়ী একের পর এক জুড়ে দেয় নানা শর্ত। এই শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশকে ৮৫ শতাংশ পণ্য ভারত থেকে কিনতে হবে। দরপত্রে যেসব প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে সেসব প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে হবে ভারতীয় নাগরিক। আবার খালি মালিকানা থাকলেই হবে না, মালিকানা হতে হবে কমপক্ষে ৫১ শতাংশের। বাকি থাকে ১৫ ভাগ। সেক্ষেত্রেও সুদখোর সুবিধাভোগী শাইলকের মতো জুড়ে দেয়া হয়েছে নানা শর্ত।
বাংলাদেশের জন্য আরও যেগুলো লজ্জার, তা হলো, ৮৫ শতাংশ পণ্য তো ভারত থেকেই যাবে। বাকি ১৫ শতাংশ পণ্য কোথা থেকে ক্রয় করা হবে তাও ঠিক করে দেবে ভারতীয় ঠিকাদাররা। তাছাড়া এই ঋণের আওতায় প্রাপ্ত অর্থে যে সব প্রকল্পের কাজ করা হবে, তাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হবে বাংলাদেশকে। একই সঙ্গে প্রকল্প নির্বাচন করে ভারতীয় হাই কমিশনের মাধ্যমে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো শর্তও সংযুক্ত করা হয়।
বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদা ও সম্মানকে ধূলিতে নিক্ষেপ করা এই শর্তের পুরো ফায়দা তুলছে এখন ভারত। বাংলাদেশ একটি একটি করে ভারতের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে ২১টি প্রকল্প। এগুলো পাঠিয়ে আমাদের কর্তারা জোড়হস্তে কাতর ভিখারির মতো অনুমোদনের জন্য দাঁড়িয়ে থেকে থেকে পার করেছে ২ বছর।
এর মধ্যে দুটির ভাগ্যে জুটেছে বাণিজ্যিক চুক্তি। ১৩টি কোনো রকমে অনুমোদন করেছে। বাকিগুলো এখনও অথৈ অন্ধকারে। যেগুলোর অনুমোদন দয়া করে ভারত দিয়েছে, সেগুলোরও কাজ করা যাচ্ছে না। কারণ শর্ত অনুযায়ী ৮৫ শতাংশ পণ্য ও সেবা সরবরাহ করার মুরোদ নেই সে দেশের কোনো কোম্পানির। কিন্তু শর্ত মতো সেগুলো অন্য কোনো খান থেকে জোগাড় করারও অধিকার রাখে না বাংলাদেশ। ফলে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থার। অনেক প্রকল্প এখন সেই ভারতের আপত্তির মুখেই নতুন করে যাচাই-বাছাই করা শুরু হয়েছে। অনেক প্রকল্প বাদ পড়বে। কারণ ভারত কর্তৃক প্রদত্ত শর্ত বাংলাদেশ মানলেও ওদিককার কোম্পানিগুলো হয়ে পড়েছে লাজওয়াব। অন্যদিকে সকলই গরল ভেলের মতো অপচয় হচ্ছে সময়ের। আর নতুনভাবে ভারতের কোম্পানিগুলোর সামর্থ্যের দিকে তাকিয়ে প্রকল্পগুলো ঢেলে সাজানোর ফলে ব্যয় বেড়ে যাবে কয়েকগুণ।
সবদিক বিবেচনা করেই এ কথা এখন দিবালোকের মতো সত্য যে ভারতীয় ঋণ বাংলাদেশের জন্য গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে। পরিণত হয়েছে শাখের করাতে। ভারতীয় প্রতিবন্ধকতার কারণে সরকার এ ঋণের অর্থ ব্যবহার করতে পারছে না। আবার চুক্তি হয়ে যাওয়ায় উচ্চহারে সুদের এ ঋণ বাতিল করার মতো সাহস এবং শক্তিও আমাদের সরকারের নেই। বন্ধুত্ব ও প্রেমে অন্ধ হয়ে অগ্র-পশ্চাত্ বিবেচনা না করে যেনতেন প্রকারে ভারতকে খুশি করার জন্য ঋণ চুক্তি করে সরকার নিজেই নিজের গলায় একটা ‘আপদ’ ঝুলিয়ে নিয়েছে। এই আপদের হাত থেকে এখন পরিত্রাণের পথ পাচ্ছে না সরকার। যদি আমাদের ‘ভারত প্রেমিক উপদেষ্টাদের’ উপদেশকে গুরুত্ব না দিয়ে, মাথা ঠাণ্ডা রেখে, বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সরকার এই চুক্তি করত তাহলে হয়তো এই রকম মারাত্মক ঝামেলায় পড়ত না। এই ‘আপদ’ থেকে সরকারের মধ্যে কোনো শুভবুদ্ধির উদয় হবে কিনা জানি না। হলে দেশও বাঁচতো ঝামেলা থেকে আর সরকারও দম নেয়ার ফুরসত পেত।

বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১১

ইরাকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার আর ভিন্ন খবর।


ইরাকে মার্কিন সেনা গুটিয়ে ফেলেছে, এমন খবরে প্রতিক্রিয়ায় অনেক মত প্রকাশ পেয়েছে, দুনিয়া জুড়ে অনেক  কথাই আলোচিত হয়েছে তারমধ্যে কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো। সত্যই কি ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হয়েছে ? সবাই নানান সংবাদ সংস্থা আর মার্কিনী আদর্শপুষ্ট সংস্থা সমূহ আমাদের এমনই খবর দিয়েছে কিন্তু ভেতরের খবর হচ্ছে অন্যরকম।
ইরাক থেকে (আংশিক) সেনা প্রত্যাহারকে ব্যবহার করে হোয়াইট হাউজ জোরদার করছে বারাক ওবামা পূর্ণনির্বাচনী প্রচারণা হিসেবে। এরই তালে তালে প্রেসিডেন্টের পরার্মশকেরা তাঁকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে একাকার করার উম্মত্ত প্রচারণাও শুরু করে দিয়েছে। তারা বলতে চাইছে, সেনা প্রত্যাহারের মাধ্যেমে ২০০৮- এর নির্বাচনী প্রতিশ্র“তি সার্থক হলো। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, চারজনের  মধ্যে তিনজন আমেরিকানই ইরাক থেকে সব সেনা ফিরিয়ে আনার পক্ষে ।
বাস্তব রূপ হচ্ছে  বাগদাদে ১০৪ একর জায়গায় দুর্গের মত করে বানানো  হয়েছে ( ভ্যাটিকান সিটিরি চাইতেও বড়) মার্কিন দূতাবাস। এই দূর্গে থাকবে ১৭ হাজার মার্কিন সেনা। যার মধ্যে রয়েছে ৫ হাজার সশস্ব্র ঠিকাদার। ইরাকেই তৈরী হয়েছে সিআই এর সবচেয়ে বড় ঘাটি। পেন্টাগনের জয়েন্ট স্পেশাল  অপারেশনের কমান্ড গোপনে সাদা পোশাকে তাদের অবস্থান চালিয়ে যাবে। এই পরিকল্পনায়র কথা শুনে ওবামার ঘনিষ্ট মিত্র সিনেটের পররাষ্ট্রবিষয়ক  কমিটি প্রধান জন কেরি জানতে চেয়েছেন ‘এটা কি সেনা বাহিনীর জায়গায় ভাড়াটে বাহিনী দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে’।
ইরাক ছেড়ে আসার সাথে জন্ম নিয়েছে অনেক হিসাব,  প্রায় নয় বছরের এই যুদ্ধে মোটামুটি সাড়ে চারহাজার মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। আহত ও  পঙ্গু হয়ে ফিরেছে হাজার হাজার সেনা আর মানসিক বিপর্যয়ের স্বীকার আরো হাজার সেনা। কম করে হলেও এই যুদ্ধে আমেরিকার খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি ডলার। সেই সাথে ১০ লাখ ইরাকি জনগন মারা গেছে। বাগদাদে ভয়াবহ বোমাবর্ষণ, নৃশংস পথে ফালুজা শহর দখল আর আবু গারেব এ গণহত্যা চালায়।
মার্কিনীদের  ইরাক ছাড়ায় প্রশ্ন জেগেছে ইরাকে কি মার্কিনীরা জয়ী হয়েছে ? অনেক প্রশ্নে সরল হিসেবে মিলে কিছু তথ্য যেমন মার্কিনীরা যুদ্ধে জয়ী হয়েছে সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে কিন্তু ইরাকী জনগনের কাছে পরাজিত। ভূরাজনৈতিক অবস্থানে মার্কিনীদের অবস্থান শক্ত হয়েছে কিন্তু বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক বেড়েছে অনেকগুন। এই সব জেনেও ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের মত অবস্থা না থাকা  সত্ত্বেও ওবামার নির্বাচনী প্রতিশ্র“তি ছাড়াও  , ইরাকের প্রধানমন্ত্রী নুরী আল মালেকীকে সেখানে ২০হাজার সেনা  রাখার রাজি করানের ব্যর্থতাতে  সেনা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয় সেই সাথে ইরাকি আদালতে মার্কিন সেনাদের  সম্পূর্ণ দায়মুক্তি আদায় করতে না পারায় সেনা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।

এখন  যে  ১৭ হাজার সেনা ইরাকে রয়েছে তারা ইরাকে উর্দি পরা সেনার জায়গায়  সাদা পোশাকে জায়গা নিচ্ছে নতুন এক বাহিনী। এরা মার্কিনীদের  নিয়মিত সেনা নয় তারা ভাড়াটিয়া সেনা, যাদের কোন ধরণের দায়বদ্ধতা নেই মার্কিন প্রশাসনে। কিন্তু ঠিকাদারের মত তারা কাজ করতে, তা থেকে মুনাফা নেবে, এরা কোন সেনা চরিত্রের দায়িত্বে থাকবেনা। ইরাকী জনগনের কাছে এরা মৃত্যু নিয়ে আসবে আর ভবিষ্যৎ সরকারের মাথা ব্যাথার কারণ হবে।
শেষ দল যে, ২০ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হলো তার স্থলে কিন্তু আরব ছাড়ছেনা মার্কিন সেনার তারা এখন ঘাঁটি গাড়ছে কুয়েতে।   কুয়েতে ২৫ হাজার মার্কিন সেনা সহ বাহারাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, সৌদিআরাব মার্কিন সেনা রয়েছে। এসব রাষ্ট্র নিয়েই গঠিত হয়েছে গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল ( জিসিডি) এই কাউন্সিলের কাজ হবে নিজের গদি বাঁচানোর জন্য মার্কিন সেনার সহয়তা নেয়া, বহি আক্রমন ( মূলত দেশের জনরোষ) ঠেকানো।
মার্কিনীদের দরকার যুদ্ধ, এখন তারা যুদ্ধ ফেরী করে বেড়াচ্ছে, তাদের নতুন কৌশল হিসেবে আফ্রিকার জিবুতিতে ৩ হাজার সেনা আছে,  সেখান থেকে ইয়েমেন ও সোমালিয়ায় ড্রোন হামলা চালানো হয়। আফ্রিকার বড় তেল মুজুদ আমেরিকার হয়েছে। ইরাকের তেল মজুত বলতে মার্কিনী কোম্পানীগুলোর তেল। মালিকানা এখন শুধু তাঁেদর। এটা তাঁেদর কৌশল এখানে তারা স্বার্থক।
 আফ্রিকার প্রতি মনোযোগী হওয়ার কারণ চীনের প্রভাব মোকাবিলা করা সেই সাথে কাবুলে বড় ধরনের আক্রমনের ইচ্ছা তাঁদের রয়েছে। সেজন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। 
উপসংহার ঃ মার্কিনীদের কুটকৌশলে আরবরা ধরা দেয় সেই সাথে ইরাকের মার্কিন মদদপূষ্ট এজেন্ট ইরাকে লুটপাট করার ব্যবস্থা করে দেয়,  লাখো ইরাকি আজ যুদ্ধে ক্ষত বহন করছে সেই সাথে নিজ্স্বে কৃষ্টি ঐতিহ্যের স্বারকগুলো মার্কিনী বিভিন্ন শহরের সংগ্রহশালায় শোভা পাচ্ছে। অনেকের ড্রইংরুমে বেবলিন সভ্যাতার মহামূল্যবান সামগ্রী  শোভা বাড়াচ্ছে। সব কিছুই যেন তাঁেদর বিজয়ের উপঢোকন অথচ তারা ইরাক থেকে নির্লজ্জভাবে লুট করে নিয়ে গেছে। মার্কিনীদের এই যুদ্ধে খরচের যে হিসাব তারা দিচ্ছে তার চাইতে অনেক অনেক বেশী সম্পদ যে নিয়ে গেছে তার হিসাব কিন্তু পাওয়া যাবেনা। হয়ত একদিন ইরাকের জনগন বলবে যে আজ যে আমেরিকা দেখছো সেটা আমাদের সম্পদে তৈরী।  
আলমগীর আলম
মুক্তিআন্দোলন

শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১১

প্রতিক্রিয়া, প্রেক্ষাপট ঢাকা

এই দিনটাকে যেন  সেই সব সাংসদ মনে রাখেন, যাদের কন্ঠের একটি শব্দে বিভক্ত হলো প্রাচীন শহর ঢাকা। তারা অমরত্ম অর্জন করেননি সেই সাথে আমরণ ক্ষমতায় ও বসেননি তাদের জবাব একদিন একশব্দের পরিবর্তে হাজার শব্দে দিতে হবে।
খন্ডিত ঢাকা মানার মত কি তাদের তাদের  কাছে কোন যুক্তি আছে ?
এটাই সার্থক আওয়ামী লীগের যে, তারা একের পর এক বির্তক সৃষ্টি করছে যার তলা দিয়ে মূল কাজ সেরে নিচ্ছে। টিপাইমূখ এর মত এত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে চাপা দেয়ার জন্যই নতুন আরেকটি বির্তক তৈরী। আর আমরা সরে পরছি সেই মূল বির্তক থেকে । এটাই আওয়ামীলীগের সার্থকতা।
বাহারী প্রতিশ্রুতি আর আমাদের বিচার ক্ষমতার দুর্বলতায় এই সরকার ক্ষমতায় আসে। এসে তারা জনগনের কথা না ভেবে তাদের প্রভৃরাষ্ট্রের ( মহাজোটের বিশ্বাস তারা তাদের প্রভুরাষ্ট্রের আর্শীবাদে ক্ষমতায় এসেছে, এদেশের জনগন গৌণ) স্বার্থরক্ষায় মনোনবেশ করে। আওয়ামীলীগের রূপকল্প ২০২১ সাল পর্যন্ত, যার অর্থ হলো যেভাবেই হউক তাদের ২০২১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে হবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তাদের কাজ করতে হচ্ছে, সেই কাজের জন্য তৈরী করতে হচ্ছে বির্তক, যেহেতু বিরোধী দল অনেকটা মেধাহীন আন্দলনে ব্যস্ত সেহেতু তাদেরকে আরো কিছু বিতর্কে নিয়ে আসাই মূল লক্ষ্য। এখানেও জনগনের সম্প্রত্বতা নাই বললেই চলে।
এই থেকে মূক্তি কিভাবে পাবো তা জানার জন্য অন্যের  প্রতি দৃষ্টি না দিয়ে বরঞ্চ নিজেরাই তৈরী করি আমাদের করণীয়।

রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১১

একটি পরিসংখ্যা

ভারত এবং বাংলাদেশ নিযে গণমাধ্যামে নানান প্রচারণা আছে তার মধ্যে ভারত আমাদের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে, ভারত যেখানে পৌছে গেছে সেখানে আমরা পৌছাতে পারিনি। আরোও নানান বিশেষনে ভারতকে উপরে দেখে এসেছি।
কৌশলগত ও আধুনিক পুজিঁবাদের ছত্রছায় গড়ে উঠা ভারত অর্থনৈতিকভাবে আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু নানান প্রকৃতিক বিপর্যয়, অস্থীর রাজনীতি, টেকসই পরিকল্পনার সংকটে আমরা ভারতের মত এগুতে পারিনি।
কিন্তু আমাদের অগ্রযাত্রা কোন কোন ক্ষেত্রে ভারতে চাইতে অনেক এগিয়ে তার খবর খুব একটা আমাদের সামনে আসেনা। ভারত থেকে আমরা কি কি ক্ষেত্রে এগিয়ে তার একটি হিসাব দেয়া হলো।
  

ভারত বনাম বাংলাদেশ  কোন দেশ এগিয়ে        
     বিষয়                                                   ভারত            বাংলাদেশ
১    মাথাপিছু আয়                                  ১১৭০ ডলার     ৫৯০ ডলার
২    মানুষের গড় আয়ু                             ৬৪.৪ বৎসর     ৬৬.৯ বৎসর
৩    শিশুর ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম    ৪৩.৫ শতাংশ     ৪১.৩ শতাংশ
৪    শিশু জন্মহার                                     ২.৭ শতাংশ     ২.৩ শতাংশ
৫    স্কুলে পড়ে গড়                                    ৪.৪ শতাংশ     ৪.৮ শতাংশ
৬    অগ্রসরমান নারী                              ৮.৯ শতাংশ     ২৯.৬ শতাংশ
৭    শিশু মৃত্যু হার (হাজারে)                           ৬৬জন     ১৪জন
৮    স্বাক্ষরতা পুরুষ                                ৩৯ শতাংশ     ৪২ শতাংশ
৯    স্বাক্ষরতা নারী                              ৩১.৩ শতাংশ     ৫৯ শতাংশ
১০    শিশুদের টিকা দেয়া হয়েছে                ৬৬শতাংশ     ৯৪ শতাংশ

এই ছকটি নোবেলজয়ী ডঃ অমত্বসেনের দেয়া, এখানে বির্তকের কোন অবকাশ থাকলে ভিন্নকথা, কিন্তু নতজানু রাজনৈতিক আর নীতি আগামী প্রজন্মকে কি রুখতে পারবে ?
আলমগীর আলম
০১৬১১০১০০১১