ড. আইনুন নিশাত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ড. আইনুন নিশাত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১১

বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন সংকটের সমাধান কী


ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী আছে। এর মধ্যে দুই-তিনটি ছাড়া বাকি সব নদী ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। খুব ছোট দুই-তিনটি নদী বাংলাদেশ থেকে ভারতে যায়, এই নদীগুলোকে সহজেই তিন ভাগে ভাগ করতে পারি। বড় নদী, যে ভাগে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রকে ফেলতে পারি। গঙ্গা নদী বাংলাদেশে ঢুকে পদ্মা নাম নেয়। আর ব্রহ্মপুত্র বাহাদুরাবাদের কাছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র আর যমুনা এই দু’শাখায় প্রবাহিত হয়। যমুনা শাখা, গঙ্গা তথা পদ্মার সঙ্গে মিশে আরিচার পরে যে ধারায় প্রবাহিত হয় সেটাকেও আমরা পদ্মা বলি। আমি গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র আর পদ্মা এ তিনটিকে আলাদা করে দেখব এই কারণে যে, গঙ্গার প্রবাহ ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মার প্রবাহের সৃষ্টি করে। এ দুটি নদী ছাড়া আরেকটি বড় নদী হচ্ছে ভারতের বরাকÑ যে নদীটি বাংলাদেশের সীমানায় এসে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে সুরমা এবং কুশিয়ারা নামে প্রবাহিত হয় এবং ভৈরবের কাছে এ দুই প্রবাহ মিলিত হয়ে আপার মেঘনা বা মেঘনা নামে প্রবাহিত হয়, চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হওয়ার পরে নিচের অংশটিও মেঘনা নামেই পরিচিত হয়Ñ আমরা চাঁদপুরের উপরের অংশটাকে আপার মেঘনা আর চাঁদপুরের নিচের অংশটাকে লোয়ার মেঘনা বলে থাকি। কারণ আপার মেঘনার প্রবাহের সঙ্গে লোয়ার মেঘনার বিরাট তফাৎ। কারণ ইতিমধ্যে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি এসে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে তারপর লোয়ার মেঘনা হয়েছে।